যাবজ্জীবন কারাভোগ করে ছাড়া পেয়ে আবার মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ

নিউজ২৪.ওয়েব: মাদারীপুর সদর উপজেলার চরনাচনার গ্রামের বলাইরচর শামসুন্নাহার বালিকা দাখিল মাদরাসার দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হত্যাকারী মাদারীপুর পৌরসভার পূর্ব খাগদী এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে ইজিবাইক চালক মো. সাজ্জাদ হোসেন খানকে সনাক্ত করে গ্রেফতার করেছে মাদারীপুর র‌্যাব ক্যাম্পের সদস্যরা।

মাদারীপুর র‌্যাব-৮ এর প্রধান কামান্ডিং অফিসার আতিকা ইসলাম শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় প্রেস ব্রিফিং করে গনমাধ্যমে এ কথা জানান। এসময় গ্রেফতারকৃত আসামী মো. সাজ্জাদ হোসেন খানের স্বীকারোক্তি উল্লেখ করে দিপ্তীর হত্যার ঘটনা বর্ণনা করেন আতিকা ইসলাম।

র‌্যাব-৮ এর প্রধান কমান্ডিং অফিসার (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি আতিকা ইসলাম প্রেস ব্রিফিং এ জানান, ১৩ জুলাই একটি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে ১৪ জুলাই সেই লাশটি যে দিপ্তীর সেইটা পরিচয় পাওয়ার পর থেকে মাদারীপুর র‌্যাব ক্যাম্পের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করে। লাশ উদ্ধার হওয়া পরিত্যাক্ত পুকুরে ১৮ জুলাই আবার তল্লাসী করে র‌্যাব। সেখান থেকে দিপ্তীর পোশাক, ইট ও সিমেন্টের বস্তা পাওয়া যায়। এরই সূত্র ধরে র‌্যাব ব্যাপক তদন্ত শুরু করে। তাদের তদন্তে ১৯৯২ সালে শিশু হত্যা করার অপরাধে যাবজ্জীবন কারাভোগ করে ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া ইজিবাইক চালক মো. সাজ্জাদ হোসেন খান জড়িত আছে বলে সন্দেহ হয়। তাই সাজ্জাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব ক্যাম্পে নিয়ে আসে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সাজ্জাদ র‌্যাবের কাছে দিপ্তীকে ধর্ষণ ও হত্যা করার কথা স্বীকার করে।

সাজ্জাদ হোসেনের স্বীকারোক্তির কথা উল্লেখ করে র‌্যাব-৮ এর কমান্ডিং অফিসার আতিকা ইসলাম আরো জানান, ১১ জুলাই বোনের বাসা থেকে শহরের চরমুগরিয়ায় চাচার বাসায় যাওয়ার জন্য ইটেরপুল এলাকা থেকে একটি ইজিবাইকে ওঠে। ইজিবাইকে আর কোন যাত্রী না থাকায় এবং প্রচুর বৃষ্টি থাকায় ইজিবাইক চালক সাজ্জাদ হোসেন জোর করে মুখ চেপে দিপ্তীকে পূর্ব খাগদী এলাকার নিজের খালি বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে চেতনানাশক দিয়ে দিপ্তীকে অচেতন করে ধর্ষণ করে হত্যা করে।

নিউজ২৪.ওয়েব/ডেস্ক/মৌ দাস.

newstwo

Read Previous

কাঠ ব্যবসায়ীকে অপহরণের অভিযোগ: র‌্যাবের পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

Read Next

ছাত্রলীগের কর্মী স্লোগান দিতে দিতে হিট স্ট্রোকে মারা গেছেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *